পাবিপ্রবিতে  র‌্যাগিংয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বহিষ্কার 

পাবিপ্রবি
  © ফাইল ছবি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(পাবিপ্রবি) র‌্যাগিংয়ে অভিযুক্ত পরিসংখ্যান বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। সেই সাথে এন্টি র‌্যাগিং কমিটিকে ঘটনা খতিয়ে দেখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের উপ-পরিচালক ফারুক হোসেন চৌধূরী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এট আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার বিকালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুনের সভাপত্বিতে তাঁর কার্যালয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. মোস্তফা কামাল খান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কে. এম. সালাহ্ উদ্দিনসহ ছাত্র উপদেষ্টা, সহকারী ছাত্র উপদেষ্টাবৃন্দ, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ ও সকল বিভাগের সভাপতি উপস্থিত ছিলেন। সভায় ইতিহাস বিভাগের এক শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরিসংখ্যান বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়। একই সাথে পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্টি র‌্যাগিং কমিটিকে আগামী পাঁচ কার্য দিবসের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

র‌্যাগিংয়ের শিকার ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের একটি মেসে থাকেন। গত শনিবার রাতে মেসের সিনিয়র ছাত্রীদের র‌্যাগিংয়ে তিনি অসুস্থ হলে পরে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাবিবুল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি র‌্যাগিং প্রতিরোধ কমিটি রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই কমিটির সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। সেই সঙ্গে মেয়েটির খোঁজখবর রাখা হয়েছে। মেয়েটি বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ। হাসপাতাল থেকে মেসে ফিরেছেন। এ ঘটনায় মেয়েটি প্রক্টর বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কামাল হোসেন বলেন, ওই শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও  র‌্যাগিং প্রতিরোধ কমিটির নিকট মেয়েটি ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে সোমবার বিকেলে এক বৈঠকে পরিসংখ্যান বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়। একই সাথে পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্টি র‌্যাগিং কমিটিকে আগামী পাঁচ কার্য দিবসের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য