শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে ইবি শাপলা ফোরামের মানববন্ধন

ইবি
  © সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে শিক্ষক লাঞ্ছনা, শিক্ষকদের কণ্ঠরোধের প্রচেষ্টা, শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপের অভিযোগ করে এর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম। সোমবার দুপুর ১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের সামনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 

এসময় সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আনিছুর রহমান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক জয়শ্রী সেন উপস্থিত ছিলেন। 

এছাড়া সংগঠনের সদস্য অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, অধ্যাপক ড. মামুনুর রহমান, অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার, অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফীন ও অধ্যাপক ড. শেলিনা নাসরীনসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। 

এবিষয়ে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন বলেন, ভিসি স্যারের দুর্নীতির তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগ বোর্ড না করার অনুরোধ করতে কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। ঠিক সেই মূহুর্তে অছাত্র ও বহিরাগতরা অকথ্য ভাষায় কথা বলে ও আমাদের হুমকি দেয়। আমরা এ ঘটনার বিচার দাবিতে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। তবে প্রশাসন এ সময়ের মধ্যে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আমরা মানববন্ধন করতে বাধ্য হয়েছি।

সভাপতি অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। এটা দুঃখজনক। আমাদের কালকে শাপলা ফোরামের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ছিল যে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সেটার সময় পার হয়ে গেছে। অফিসিয়ালি আমাদের কাছে কোনো নোটিশ আসেনি। যার ফলে আজকে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছি। 

এদিকে এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলামকে আহবায়ক ও গণিত বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সজীব আলীকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. খন্দকার তৌহিদুল আনাম, কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান ও খালেদা জিয়া হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন আরা সাথী। 

কমিটিকে আগামী ১৫ (পনেরো) কর্ম দিবসের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের কথা বলা হয়েছে।


মন্তব্য