সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হলেই বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে: ঢাবি ভিসি

ঢাবি
  © টিবিএম ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হলেই বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন পূরণ হবে।
 
উপাচার্য বলেন, আজকে আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপন করি, এর অর্থ হলো বঙ্গবন্ধু শিশুদেরকে ভালবাসতেন, শিশুদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের জন্য যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই বাংলাদেশ এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠা করছেন। 

তিনি (শেখ হাসিনা) একটি স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছেন; যেই স্মার্ট বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে আজকে তোমরা যারা, যাদের হাতে আগামী দিনের নেতৃত্ব নিহিত, স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে একটি মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করবে এবং এটিই হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদক্ষেপ।

আজ রবিবার (১৭ মার্চ ) প্রথম প্রহরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলে আয়োজিত জন্মোৎসবে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধকের বক্তব্যে উপাচার্য এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল প্রশাসন ও হল শাখা ছাত্রলীগের সমন্বয়ে এ জন্মদিন উদ্‌যাপন করা হয়। 


ছাত্রলীগের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধুর ১০৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ সরকার সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে উদ্যোগগুলো নিয়েছে,‌ সে উদ্যোগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব তোমাদের মতো তরুণদের হাতে রয়েছে। তোমরাই এদেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখাবা, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবা। তোমরাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের যে উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে রোডম্যাপ হাতে নিয়েছে তার বাস্তবায়ন তোমাদের হতেই হবে।


অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, লেখাপড়া করবে ভালোভাবে। রাজনীতি এবং লেখাপড়া যদি সমান্তরাল ভাবে না চলে তাহলে বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন সেটি বাস্তবায়ন করা যাবে না। সেজন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি রাজনীতি চর্চা যেমন করতে হবে এবং সে রাজনৈতিক চর্চা হলো একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। আর এটি তখনই সম্ভব হবে যখন তোমরা লেখাপড়ায় ভালো করবে।

এ আয়োজনের সভাপতি ও হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান না হলে এই বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না।বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মিত এ হলে প্রথম প্রহরে কেক কাটার মাধ্যমে তার জন্মদিন উদযাপন করতে পারা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। শুধু জন্মদিন পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সকলকে বাস্তব জীবনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করতে হবে।

এসময় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান শান্ত, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সহ কেন্দ্রীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য