কুবিতে শুদ্ধাচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

কুবি
  © টিবিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের আয়োজনে শুদ্ধাচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে 'দুর্নীতি প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনই প্রধান সহায়ক' শীর্ষক বিষয়ে একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিতর্কে সরকারি দল জয় লাভ করেছে। রবিবার (৩০ জুন) বিকাল আড়াইটায়  নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক অমিত দত্তের সঞ্চালনায় কলা অনুষদের কনফারেন্সে রুমে বিতর্ক প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিতর্কে সরকার দল হিসেবে অংশ নেয় নৃবিজ্ঞান বিভাগের শারমিন মেঘলা, ⁠ফারিহা তাসনিম মুন ও বাংলা বিভাগের মো: বাবুল আহমেদ। বিরোধী দল থেকে অংশ নেয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নিলয় সরকার, সুস্মিতা দাস পিয়া ও অর্থনীতি বিভাগের রাকিবা হালিম। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের ফারিহা তাসনিম মুন। 

এই আয়োজনে সভাপতি হিসেবে ছিলেন ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. বনানী বিশ্বাস। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম, বাংলা বিভাগের প্রভাষক গোলাম মাহমুদ পাভেল।

কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বনানী বিশ্বাস বলেন, 'দুর্নীতি প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনই গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমরা বর্তমানে দেখেছি ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আন্দোলনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। রাস্তায় দাড়িয়ে আন্দোলনের চেয়ে সামাজিক মাধ্যমের আন্দোলনগুলো বেশি শক্তিশালী হচ্ছে। তাছাড়া দূর্নীতি প্রতিরোধে আইনের শাসনও অধিক গুরুত্বপূর্ণ। 

ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহা. হাবিবুর রহমান বলেন, 'মাননীয় উপাচার্য স্যারের নেতৃত্বে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাচ্ছে, ছাত্র পরামর্শক দপ্তর সবসময় ভিসি স্যারের সাথে কাজ করছে। আমাদের ছাত্র পরামর্শক দপ্তরের উদ্যোগে আজকের এই বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদেশ্য হলো, বিতর্কের মাধ্যমে দেশের তরুণ সমাজকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার করা। আমাদের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটা স্টেক হোল্ডারদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, 'আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন, সেই লক্ষকে পরিপূর্ণ করার জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় সাথে আছে, তারই প্রেক্ষাপটে আজকের এই আয়োজন। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার বড় প্রতিবন্ধকতা হলো দুর্নীতি এই দুর্নীতি আমাদের রুখতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই দেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন, সেই লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ও কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সোনার বাংলাকে দুর্নীতি মুক্ত করবোই।'


মন্তব্য