কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সাথে স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের সংহতি

রাবি
স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশন  © লোগো

কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাধারণ শিক্ষার্থীরা। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের আদেশের বিরুদ্ধে আন্দোলনে করছেন তারা। দেশব্যাপী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি প্রকাশ করে স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশন। এক যৌথ বিবৃতিতে উক্ত আন্দোলনে সংহতি জানান স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী সজীব ও সাধারণ সম্পাদক এফ আর এম ফাহিম রেজা। 

স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী সজীব বলেন, সরকারি চাকুরিতে মেধাবীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সমান সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করার কোনো বিকল্প নেই। সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। কোটাপ্রথা নিঃসন্দেহে একটি বৈষম্যমূলক প্রথা। যার ফলে যোগ্য প্রার্থীরা চাকুরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যা একটি দেশের জন্য হুমকির কারণ। দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কোটাপদ্ধতি সংস্কার করা সময়ের অন্যতম দাবি।

স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এফ আর এম ফাহিম রেজা বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল বৈষম্য থেকে মুক্তির লক্ষ্যে। স্বাধীনতার পর উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে নয়। অথচ কোটাপ্রথা এখন পর্যন্ত বহাল থাকার অর্থ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর সাথে বৈষম্যমূলক আচরণের শামিল। এমন বৈষম্যের অবসান না হলে বাংলাদেশ এক দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির সম্মুখীন হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে উক্ত কোটাপদ্ধতি বহাল রাখা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথেও সাংঘর্ষিক।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, স্বাধীনতার এতো বছর পর এসেও এই মুহূর্তে কোটাপ্রথা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক একটি বিষয়। যার ফলে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অযোগ্যদের চাকুরি পাওয়ার পথ সুগম হবে। কোটাপদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে দেশব্যাপী চলমা ছাত্র আন্দোলন সফল হবে, এমনটাই প্রত্যাশা করে স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশন।


মন্তব্য