ঢাবিতে ছাত্রলীগের মিছিল; রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান

কোটা
  © সংগৃহীত

গত কয়েকদিন ধরে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাংলা ব্লকেড নামে বিকাল থেকে শুরু হয় এ আন্দোলন। এদিকে কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাডেমিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং কোটা ইস্যুর যৌক্তিক সমাধানের দাবিতে মিছিল শুরু করেছে ছাত্রলীগ।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে বিকেল সাড়ে ৫টায় এই মিছিল শুরু করে ছাত্রলীগ।

মধুর ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রোকেয়া হল হয়ে এখন রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ।
 
এর আগে দুপুর ২টার পর থেকেই মধুর ক্যান্টিনে জড়ো হতে শুরু করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও মহানগর উত্তর দক্ষিণের নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে মধুর ক্যান্টিন।
 
এদিকে সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সম্মান জানায় ছাত্রলীগ। তবে অবরোধ করে দাবি আদায়ের এই পদ্ধতিকে সমর্থন করছেন না দেশের শীর্ষ এ ছাত্র সংগঠনের নেতারা।

তারা বলছেন, আন্দোলন আন্দোলন খেলায় সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। কারও কোনো কথা থাকলে তা আদালতে বিস্তারিত বলা যাবে। সেখান থেকেই আসবে বিষয়টির যৌক্তিক সমাধান।
  
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের শুরুর দিকে সরকারি চাকরিতে দুর্নীতির কিছু তথ্য তুলে ধরে বিএনপি সরকারের সমালোচনা করেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।
 
তিনি বলেন, লন্ডন থেকে যিনি বয়ান দিচ্ছেন, তার কোনো যোগ্যতাই ছিল না বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার। বিএনপির সময়ে বিসিএসের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল। ছাত্রদলের ক্যাডাররা ওই সময় নিয়োগ পেয়েছে। যার কারণে পরীক্ষাও বাতিল হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের সময় কোনো বিসিএস বাতিল হয়নি। যারা মেধাবী তারাই নিয়োগ পেয়েছে।
 
আজকে যারা আন্দোলন করছেন, তারা কি ছাত্রজীবী না আন্দোলনজীবী- এ প্রশ্ন তুলে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘যারা ছাত্র, আদালতের আদেশের পর তারা সরে এসেছেন। কিন্তু এখনও যারা আন্দোলন করতে চাচ্ছেন, তাদের রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে আমাদের প্রশ্ন আছে। এ আন্দোলনের কারণে জনগণের সমস্যা হচ্ছে, এইচএসসি পরীক্ষাথীদের সমস্যা হচ্ছে, রোগীদের হাসপাতালে যেতে সমস্যা হচ্ছে। আন্দোলন আন্দোলন খেলায় সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে।’


মন্তব্য