সরকারি অফিসে দুই এক পয়সা না দিলে চলে? এটা তো সিস্টেম : উপ-খাদ্য পরিদর্শক

সারাদেশ
  © সংগৃৃহীত

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার উপ-খাদ্য পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বরাদ্দের ডিও ছাড় দিতে ডিলারদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করার অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ বাণিজ্যের কারণে চাল তুলতে হিমশিম খাচ্ছে ডিলাররা। কিন্তু প্রকাশ্যে কেউ মুখ না খুললেও ওই পরিদর্শকের ঘুষ বাণিজ্যের একটা ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের প্রতি ইউপিতে ২/৩ জন করে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণের জন্য ৩৯ জন ডিলার নিয়োগ করে কর্তৃপক্ষ। ওই ডিলাররা জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল বছরে ৫ কিস্তিতে ১৯ হাজার ৮১ জন উপকারভোগীর কাছে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে। কিন্তু ডিলারদের চালের ডিও নিতে দিতে হয় ঘুষ। এতে বিপাকে পড়েছে তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ডিলার জানান, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী ডিও নিতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। অন্য অফিসে আরও ১ হাজার টাকা দাবি করছে। ডিলারী নিয়ে আমরা বিপাকে আছি। কত টাকা ব্যবসা হবে? এভাবে হয়রানি বন্ধ ও প্রতিকার চান ডিলাররা।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত উপজেলা উপ-খাদ্য পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি অফিসে দুই এক পয়সা না দিলে অফিস চলে? এটা তো সিস্টেমে, সব জায়গায় এমন চলে। এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কমল গোপাল দে জানান, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। ঐ পরিদর্শককে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


মন্তব্য