মোঃ হাসান আলীর সাবলম্বী হওয়ার গল্প 

সিরাজগঞ্জ
ছবিতে মোঃ হাসান আলী  © টিবিএম

সিরাজগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মোঃ হাসান আলী স্থানীয় আঃ মজিদের দোকানে কর্মচারী হিসেবে একসময় কাজ করতেন। মাসে সে চার হাজার টাকা বেতন পেতেন। এত অল্প টাকা দিয়ে তার সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হতো। পারিবারিক অবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে বাধ্য হয়ে তাকে কাজ করতে হতো। এছাড়া তার যে আর কোন উপায় ছিল না। এভাবে কষ্টে হাসানের দিন চলতে থাকে, আর চিন্তা করতে থাকে কিভাবে এই অবস্থা পরিবর্তন করা যায়। তারই অংশ হিসেবে মোঃ হাসান আলী কিছু পুঁজি সংগ্রহ করে স্থানীয় বাজারে একটা দোকান ভাড়া নিতে চেষ্টা করে। দোকান ভাড়া ও জামানত বেশি হওয়ায় দোকান ভাড়া নিতে পারে না।

এতেও হাসান দমে নাগিয়ে স্থানীয় বাজারে একটা টেবিল পেরে ফ্লেক্সিলোড ও বিকাশ এর ব্যবসা শুরু করে। এরপর হাসানের আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। 

এরপর ধীরে ধীরে সামনে এগোতে থাকে। এখন দোকান ভাড়া নিয়ে ঝাকঁঝমক ভাবে ব্যাবসা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি। এখন দোকানে বিদ্যুৎ বিল, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধসহ নানাবিধ পরিসেবা দিয়ে আসছে। এতে করে তার আর্থিক আয় অনেক বেড়েছে। 

দোকানের আয় দিয়ে সুন্দর বাড়ি করেছে। পরিবারে মা,বাবা, ভাই -বোন সহ পরিবার পরিজন নিয়ে আজ অনেক সুখী জীবন যাপন করছে। একদিকে তার পরিবারের সদস্যদের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে এবং আশেপাশের লোকজন হাতের নাগালে অনেকগুলো সেবা একসাথে পেয়ে অনেক আনন্দিত। 

আজ সবাই বলাবলি করছে বেকার যুবকেরা অলস বসে না থেকে যদি হাসানের মতো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিসরে উদ্যমী হয়ে কাজ করত তাহলে আমাদের দেশ অনেকাংশে উন্নতির দিকে এগিয়ে যেত।


মন্তব্য