পরীক্ষায় বসা হলো না নুরজাহান হেনার

এইচএসসি
  © ফাইল ছবি

নুরজাহান হেনা (২১)। এইচএসসি পরীক্ষার্থী। আজ (রোববার) পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিলো তার। কিন্তু তার আগে পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। রাজধানীর রামপুরায় একটি বাসা থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গতকাল শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা গেছে, নুরজাহান হেনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার বায়েক পাড়া গ্রামের হেবজু মিয়ার মেয়ে। বর্তমানে স্বামী জাহাঙ্গীর আলম শাওনের সঙ্গে পূর্ব রামপুরার বাসায় ভাড়া থাকতেন।

রামপুরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হাবিজ উদ্দিন বলেন, গতকাল রাতের দিকে খবর পেয়ে ওই বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় নুরজাহান হেনাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করি। তখন তিনি অচেতন ছিলেন। পরে ঢাকা মেডিকেলে নিলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে হাবিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা জানতে পারি, রামপুরার ওই বাসায় স্বামী জাহাঙ্গীর আলম শাওনের সঙ্গে থাকতেন হেনা। শাওন একটি ফার্মেসিতে চাকরি করেন। কাজ শেষে গত রাতে বাসায় এসে দেখেন, স্ত্রী হেনা সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন। পরে থানায় খবর দেন তিনি।

মো. হাবিজ উদ্দিন আরও জানান, দেড় বছর আগে বিয়ে হয় শাওন ও হেনা দম্পতির। বিয়ের পর থেকে পূর্ব রামপুরা হাইস্কুল গলির ওই বাসার নিচতলায় ভাড়া থাকেন। হেনার বাবা হেবজু মিয়া রামপুরা এলাকাতেই থাকেন। হেনা মধ্য বাড্ডার একটি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। সেজন্য বাবার কাছ থেকে ফরম পূরণের কথা বলে টাকাও নিয়েছিল। তবে সেটি সে করেনি।

স্বামীর ধারণা, রবিবার হতে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না বলে হেনা আত্মহত্যা করেছে।


মন্তব্য