‘কাঁচাবাজার দেখে মনে হচ্ছে যেন শায়েস্তা খাঁর আমল’

ভোক্তা
  © সংগৃৃহীত

‘বগুড়ার কাঁচাবাজার পরিদর্শন করে আমার মনে হয়েছে যেন শায়েস্তা খাঁর আমল। এখানে লেবু বিক্রি হচ্ছে এক টাকা করে। অথচ ঢাকায় কোনো কোনো সময় এক হালি লেবুর দাম ৬০ টাকা।’ কথাগুলো বলেন ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান। 

তিনি বলেন, ‘বোঝা যাচ্ছে আমাদের বিপনন ব্যবস্থায় ত্রুটি রয়েছে।

বগুড়ার মধ্যে রাজাবাজার একটি বড় মার্কেট। সেখানে যদি ২০ টাকায় পটল বিক্রি হয়, তাহলে কেন ঢাকার মানুষ ৮০ টাকায় তা কিনবে? কৃষি বিপনন অধিদপ্তরকে এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করা দরকার।’

আজ রবিবার (৩০ জুন) দুপুরে বগুড়া শহরের রাজাবাজারে সচেতনতামূলক বাজার তদারকি করতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। 

ভোক্তা অধিকারে মহাপরিচালক বলেন, ‘বগুড়ায় ভেন্ডি (ঢেরস) এবং পটল মাত্র ২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা নাকি কৃষকদের কাছ থেকে ১৩ টাকা থেকে ১৬ টাকা দরে কিনেছে। অথচ গতকালও ঢাকার বাজারে পটল বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি দরে।’ 
তিনি বলেন, ‘কৃষকরা যেন সরাসরি মার্কেটে তাদের পণ্য নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতে পারে সেই ব্যবস্তা করা দরকার। বগুড়ার বাজার থেকে ঢাকায় হয়তো তার দাম শতকরা ৫০ ভাগ বেশি হতে পারে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ ভাগ বেশি দামে তা বিক্রি হচ্ছে। এটা একেবারেই অযৌক্তিক।’

এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘এখানে মধ্যসত্ত্বভোগী, আড়দতার, ফরিয়া ও পরিবহণের সঙ্গে জড়িতরা এই কাজ করে। বগুড়া আলুর জন্য বিখ্যাত। অথচ সেখানেই ৫২ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি হচ্ছে।

এক্ষেত্রে বাজার কমিটিকে উদ্যোগী হতে হবে। পাইকারির চেয়ে খুচরা বাজারে অতিরিক্ত বেশি দামে বিক্রি বন্ধ করতে হবে। এই বিষয়গুলো নিয়ে অভিযান চালানো হবে।’
এসময় তিনি বেশ কয়েকটি দোকান পরিদর্শন করে সেখানে প্যাকেটজাত পণ্যের বিএসটিআই না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বিএসটিআই, ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য কর্তপক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। 


মন্তব্য