গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে ব্যাহত হচ্ছে রড উৎপাদন

দাম
  © ফাইল ছবি

মোটা বিনিয়োগ ও বাড়তি উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগুতে পারছে না দেশের ইস্পাত শিল্প। দ্রুত সমস্যার সমাধান করা না গেলে হুমকিতে পড়বে পুরো খাত। এক সংবাদ সম্মেলনে জেডএসআরএম-এর শীর্ষ কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং যেকোনো অবকাঠামো নির্মাণে অন্যতম প্রধান সামগ্রী এমএস রড। দেশের অর্থনীতির গতি প্রকৃতি মাপারও বড় সূচক এটি। দেশে চাহিদার চেয়ে বেশি উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সংকট আর উচ্চ আনুষঙ্গিক ব্যয়ের কারণে কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগুতে পারছে না এই শিল্প।

দেশের অন্যতম প্রধান রি-রোলিং মিলস জহির স্টিল আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, এই শিল্পে বড় বিনিয়োগ হলেও চাহিদা বাড়ছে না প্রত্যাশিত মাত্রায়। যদিও গুণগত পণ্য উৎপাদনে বড় পরিবর্তন এসেছে গেলো কয়েক বছরে।

জেডএসআরএম প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, গ্যাসে গরম করে রড তৈরি করতে হয়। কিন্তু জ্বালানি পণ্যটির যথেষ্ট সমস্যা আছে। অধিকাংশ সময়ই থাকে না। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

অপ্রয়োজনীয় যেসব লোহা ও স্টিলের সামগ্রী স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করা হয়, তা বিভিন্ন হাত বদল হয়ে আসে রড তৈরির কারখানায়। মূলত স্ক্র্যাপ ও পুরাতন লোহা গলিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রথমে বিলেট, এরপর তা থেকে তৈরি করা হয় বিভিন্ন আকারে রড।

প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা সরকারি-বেসরকারি ও বিভিন্ন প্রকল্পে রড সরবরাহ করি। আরেক কর্মী বলেন, আমরা ৩ থেকে ৪টি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রড তৈরি করি। নানা স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করা হয়। তাতে গুণগত মান উন্নত হয়।

উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে রডের চাহিদা ৭০ লাখ টনের মতো। আর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৩ লাখ মানুষ।


মন্তব্য