যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে

পোশাক
  © ফাইল ছবি

একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। তবে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশ ১৭৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে আমেরিকায়। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ কম। গত বছর শেষে রপ্তানি কমার হার ছিল ২৫ শতাংশ। 

ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমেরিকার বাজারে বরাবরই শীর্ষ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন ও ভিয়েতনাম। যদিও কয়েক বছর ধরে আমেরিকার বাজারে চীনের অংশ কমছে। তবে, বেড়েছে ভিয়েতনামের।

২০২৪ সালের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) এই বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে চীনের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ভিয়েতনাম। এই সময়ে চীন ৩৪৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। আর ভিয়েতনাম রপ্তানি করেছে ৩৪০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। 

তার মানে চীনের থেকে মাত্র ৫ কোটি ডলারের কম রপ্তানি করেছে ভিয়েতনাম। যেখানে চীন ও ভিয়েতনামের বাজার যথাক্রমে ২১ ও ১৯ শতাংশ। এদিকে, আমেরিকা ভিয়েতনামের রপ্তানি যখন বাড়ছে, তখন বাংলাদেশের কমছে। 

চলতি বছরের প্রথম ৩ মাসে বাংলাদেশ ১৭৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে দেশটিতে। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ কম। গত বছর শেষে রপ্তানি কমার হার ছিল ২৫ শতাংশ।

বাংলাদেশের মতো আমেরিকার বাজারে চতুর্থ ও পঞ্চম শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ যথাক্রমে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানিও কমেছে।

এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ভারত ১২২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ কম।

এদিকে, আমেরিকার ব্যবসায়ীরা চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১ হাজার ৮০৭ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করেছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ কম।


মন্তব্য