ভারতের নিষেধাজ্ঞা উঠলেও হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ যে কারণে

পেঁয়াজ
  © ফাইল ছবি

গত বছরের ডিসেম্বরে হঠাৎ করেই পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত। এরপরই দেশের বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে এই নিত্যপণ্যটির দাম। যদিও দেশের বাজারে পেঁয়াজ উঠলেও তা পর্যাপ্ত নয় অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে পণ্যটির দাম চড়া থাকে। এরপর স্বল্পমাত্রায় ভারত পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিলে দাম কিছুটা কমে আসে। দীর্ঘ পাঁচ মাস পর সম্প্রতি পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ভারত। তবে এরপরও ভারতের নতুন শুল্ক জটিলতার কারণে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারছে না বাংলাদেশের আমদানিকারকরা। 

ব্যবসায়ীদের দাবি, ভারতের সব শর্ত মেনে পেঁয়াজ আমদানি করলে বাজারে বর্তমান দামের চেয়ে অনেক বেশি পড়বে। যার জন্য হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে হিলি বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০টাকা কমে দেশি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হলে দেশি পেঁয়াজের দাম আরও কমে যাবে বলে মনে করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ হারুন গণমাধ্যমকে বলেন, দীর্ঘদিন পর ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা ব্যাংকে এলসি খুলেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে শুনি ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। ৪০ শতাংশ শুল্ক দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করলে ৭০ থেকে ৭২ টাকা প্রতি কেজিতে খরচ পড়বে। এ কারণেই আমাদের আমদানিকারকরা পেঁয়াজ আমদানি করছেন না। তবে ভারতের ব্যবসায়ীরা আমাদের জানিয়েছেন খুব দ্রুত ভারত সরকার শুল্ক কমিয়ে দেবে এবং হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হবে। 


মন্তব্য