ভারতে মিললো বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া ১৬ কেজি স্বর্ণ

ভারতে
  © সংগৃৃহীত

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার একটি গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৮৯টি স্বর্ণের বিস্কুটসহ এক ভারতীয় চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার চোরাকারবারির নাম অলোক পাল, তিনি বনগাঁ থানার গুনারমাঠ এলাকার হালদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা৷

শনিবার (২৫ মে) অলোক পালের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ৫ নম্বর ব্যাটালিয়ন সদস্যরা। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের ওজন ১৬ কেজি, যার বর্তমান বাজারমূল্য ভারতীয় মুদ্রায় ১২ কোটি রুপি। এসব স্বর্ণ বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার করা হয়েছে।

রোববার (২৬ মে) বিএসএফের সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি (জনসংযোগ) একে আর্য এসব তথ্য জানিয়েছেন।  

তিনি বলেন, হালদারপাড়ের একটি বাড়িতে সোনার বিশাল চালানের খবর পেয়ে শনিবার বিশেষ অভিযান চালায় সীমান্ত চৌকি গুনারমঠের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা। সন্দেহজনক বাড়িটিকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলা হয়। এরপর গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় একটি কাপড়ের বেল্টে লুকিয়ে রাখা সোনার চালানসহ ধরা পড়েন অলোক পাল। কাপড়ের বেল্ট খুললে বিভিন্ন সাইজের ৮৯টি সোনার বিস্কুট পাওয়া যায়। এরপর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওই ব্যক্তিকে সোনার চালানসহ সীমান্ত চৌকি কল্যাণীতে নিয়ে আসা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে অলোক জানিয়েছেন, চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে একজন বাংলাদেশি স্বর্ণ চোরাকারবারির সঙ্গে যোগাযোগ হয় তার। ওই বাংলাদেশি প্রস্তাব দেন, সোনার চালানটি বাড়িতে লুকিয়ে রাখলে তিনি তাকে প্রতিদিন ৪০০ রুপি করে দেবেন। প্রস্তাবে রাজি হয়ে এ কাজে যোগ দেন তিনি।

তিনি জানান, ২৫ মে রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে একজন অজ্ঞাত চোরাকারবারি তাকে বাড়িতে লুকানোর জন্য ৮৯টি স্বর্ণের বিস্কুট দিয়ে যায়। বিএসএফের কর্মকর্তা একে আর্য আরও জানান,আটক অলোক স্বর্ণ চোরাচালানের দায়ে ইতোমধ্যে এক মাস জেল খেটেছেন এবং তার নামে এখনও বনগাঁ আদালতে মামলা চলছে।

গ্রেপ্তার চোরাকারবারিকে এবং জব্দকৃত সোনার চালান পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য কলকাতার রাজস্ব গোয়েন্দা পরিচালকের (ডিআরআই) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


মন্তব্য


সর্বশেষ সংবাদ