রাতে প্রেমিকাকে নিয়ে আবাসিক হোটেলে, ভোরে মিললো লাশ!

আত্মহত্যা
  © প্রতীকী ছবি

রাজধানীর কলাবাগানে আবাসিক হোটেল থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কলাবাগান থানার এসআই মিঠুন দাস।

কলাবাগান থানা-পুলিশের তথ্য অনুসারে, মারা যাওয়া তরুণের নাম সাব্বির হোসেন (২৬)। বাবার নাম জাহাঙ্গীর আলম। গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায়। সাব্বির রাজধানীর ধানমন্ডির শুক্রাবাদ এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন।

কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিঠুন দাস বলেন, হোটেলের কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সাব্বির ‘আত্মহত্যা’ করেছেন বলে তাঁরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন।

তিনি বলেন, সাব্বির হোসেন গতকাল রাতে প্রেমিকাকে নিয়ে কলাবাগানে একটি আবাসিক হোটেলে উঠেন। সেখানে তার প্রেমিকার সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। পরে তিনি পাশে থাই গ্লাস আটকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দেন। পরে তার প্রেমিকার চিৎকারে আশপাশের লোকজন আসেন। তারা তাকে সেখান থেকে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে শুক্রবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নিয়ে আসা হয়। তবে ঢামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যায়, সাব্বির ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।

সাব্বিরের স্বজন মো. রায়হানের ভাষ্য, তিনি শুনেছেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সাব্বির তাঁর এক তরুণী বন্ধুকে নিয়ে কলাবাগান থানা এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে উঠেছিলেন। রাতে তাঁদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। পরে হোটেলের কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন সাব্বির। প্রথমে তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সাব্বিরকে মৃত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।

ময়নাতদন্তের জন্য সাব্বিরের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।


মন্তব্য