রেমালের প্রভাব: জলাবদ্ধতা ও গাছ পড়ার ১২০টি ফোন কল পেয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি

রেমাল
  © সংগৃহীত

গত রবিবার উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝর রেমাল। তবে এর প্রভাব পড়েছে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও। রেমালের প্রভাবে গতকাল সোমবার (২৭ মে) সকাল থেকেই দিনভর ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে রাজধানীতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার অভিযোগ জানিয়ে গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত মোট ১২০টি কল পেয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় ডিএসসিসির মুখপাত্র আবু নাছের এ বিষয়টি জানিয়েছেন। 

তিনি বলেন, ডিএসসিসির হটলাইনে আজ বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত পর্যন্ত মোট ১২০টি ফোন কল এসেছে। এর মধ্যে অতিবৃষ্টিজনিত জলজট সংক্রান্ত ফোন কলের সংখ্যা ৭৮টি। সেসব কলের প্রেক্ষিতে সেসব স্থানে করপোরেশনের লোকবল কাজ করছে। এ ছাড়াও ৪২টি ফোন কল ছিল ঝড়ে গাছ পড়ে যাওয়া সংক্রান্ত।  

আবু নাছের আরও বলেন,  গঠিত ৯১টি দলের পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২ হাজার ৫০০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিরবচ্ছিন্নভাবে জলাবদ্ধতা ও জলজট নিরসনে কাজ করছে। কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় ৯৪টি বড় গাছ পড়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ গাছ কেটে সরানো হয়েছে। বাকি কিছু গাছ সরানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পড়ে যাওয়া ১টি গাছ অপসারণ করার কার্যক্রম চলমান আছে। এছাড়া মোট ৬টি ‘সড়কবাতি পোল’ পড়ে গিয়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেসব পোল প্রতিস্থাপন ও মেরামত প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে প্রায় সোয়া ৩ কোটি গ্রাহকের। এছাড়া মোবাইল নেটওয়ার্কও বিচ্ছিন্ন রয়েছে এসব জেলাগুলোতে। বিদ্যুতে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানা গেছে।


মন্তব্য