ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা নেই পদ্মা-মেঘনায়

ইলিশে
  © সংগৃহীত

ভরা মৌসুমেও চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশের দেখা মিলছে না। দিনরাত নদীতে জাল ফেলে মাছ না পেয়ে জেলেরা হতাশ। যে পরিমাণ মাছ পাচ্ছেন তাতে লাভ দূরে থাক, নৌকার জ্বালানি তেলের খরচই উঠছে না। 

মার্চ-এপ্রিল দুই মাস জাটকা সংরক্ষণ অভিযান শেষে মহাজনের দাদনের টাকা কাঁধে নিয়ে ১ মে নদীতে নামেন জেলেরা। মৌসুম শুরু হলেও জালে ধরা পড়ছে না আশানরূপ ইলিশ। এতে জেলার অর্ধ-লক্ষাধিক জেলে আর্থিক সংকটে পড়েছেন। 

চাঁদপুর সদর, হাইমচর, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায় সর্বমোট ৪৪ হাজার ৩৫ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। জেলে জামাল দেওয়ান ও মালেক ব্যাপারী বলেন, বুকভরা আশা নিয়ে নদীতে নেমেছি কিন্তু মাছ না পেয়ে হতাশা হয়ে ফিরছি। ভরা মৌসুম হলেও চাঁদপুরে নদীগুলো ইলিশশূন্য। 

ক্রেতা মজিবুর রহমান ও কামরুল হাসান রনি বলেন, ভরা মৌসুমে ইলিশের সংকট ও দাম অসহনীয়। বাজারে এসে মাছ না কিনেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। 

আড়তদার আ. মালেক খন্দকার জানান, জালে ইলিশ ধরা না পড়ায় আড়তগুলো মাছশূন্য। ভরা মৌসুমে আড়তে ইলিশ না আসায় আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। 

ইলিশ গবেষক ও চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আমিরুল ইসলাম বলেন, মৌসুমি বৃষ্টি ও নদীর স্রোত বৃদ্ধি পেলে পদ্মা-মেঘনাসহ বিভিন্ন নদীতে ইলিশ বাড়বে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে ইলিশের প্রাপ্যতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছেন তিনি।


মন্তব্য