চিলির পায়ে ধরে কি ম্যাচ জিতলেন আর্জেন্টিনা?

আর্জেন্টিনা
  © ফাইল ছবি

মাঠের লড়াইয়ে দাপট দেখালেও কাজের কাজ সেই গোল আদায় করতে পারছিল না আর্জেন্টিনা। টানা আক্রমণ করেও ব্যর্থ হচ্ছিলেন স্ট্রাইকাররা। অবশেষে বদলি হিসেবে নামা লাউতারো মার্টিনেজের গোলে ঘাম ঝরানো জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আলবিসেলেস্তারা।

বুধবার (২৬ জুন) নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে চিলির বিপক্ষে ১-০ গোলের স্বস্তির জয়ে কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচে ৭০ মিনিটের পর আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ দুবার ত্রাতা হয়ে না দাঁড়ালে এই ম্যাচে হারের স্বাদ নিয় মাঠ ছাড়তে হতো আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচের ৭২ মিনিটের মধ্যে আর্জেন্টিনা শট নিয়েছে ১৭টি। তবু গোল আসছিল না।

প্রথমার্ধে গোলের জন্য ১৩টি শট নেয় আর্জেন্টিনা। ৩টি পোস্টে রাখতে পারলেও গোল হয়নি। বিরতির পর নিকো গঞ্জালেস একবার চিলির ক্রসবারও কাঁপিয়েছেন। ভাগ্য সহায় হয়নি। লিওনেল মেসি প্রথমার্ধে পোস্ট কাঁপানোর পর ৬৮ মিনিটে গোলের সুযোগও নষ্ট করেছেন।

অন্যদিকে, চিলি ৭১ মিনিট পর্যন্ত শটই নিতে পারেনি। ৭২ মিনিটে চিলির ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রিগো এচেভেরিয়ার নেওয়া প্রথম শটেই গোল হতে পারত। পাল্টা আক্রমণ থেকে বক্সের বাইরে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে তার নেওয়া শট ডাইভ দিয়ে ঠেকান মার্তিনেজ। তিন মিনিট পর বক্সের মাথা থেকে আবারও এচেভেরিয়ার শট এবং এবারও ত্রাতা সেই মার্তিনেজ।

শেষ পর্যন্ত ৮৮ মিনিটে বক্সের ভেতর জটলা থেকে পাওয়া বল জালে পাঠান মার্তিনেজ। কর্নার পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। জটলার ভেতর থেকে বল পেয়ে যান বাঁ দিকে একটু ফাঁকায় দাঁড়ানো মার্তিনেজ। ডান পায়ের শটে বল জালে জড়াতে তার কোনো অসুবিধাই হয়নি। রেফারি অবশ্য ভিএআর-এর মাধ্যমে গোলটির বৈধতা পরীক্ষা করেছিলেন। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে দি মারিয়ার পাস থেকে অবশ্য অবিশ্বাস্যভাবে একটি গোলের সুযোগ নষ্ট করেছেন মার্তিনেজ।

“এ” গ্রুপে দুই ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। পেরুর বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি খেলবে লিওনেল স্কালোনির দল।

গ্রুপের অন্য ম্যাচে পেরুকে ১-০ গোলে হারানো কানাডা ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়। সমান ম্যাচে ১ পয়েন্ট পাওয়া চিলি তৃতীয় এবং চতুর্থ পেরু। ২ ম্যাচে পেরুর সংগ্রহও ১ পয়েন্ট।


মন্তব্য