ফাইনালে হারলে বার্বাডোসের সমুদ্রে ঝাঁপ দেবেন রোহিত শর্মা!

বিশ্বকাপ
  © সংগৃহীত

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠেছে ভারত। যেখানে দলকে ‍দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিয়েছে রোহিত শর্মা। তার অধীনে ঘরের মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছিল কোহলি-রোহিতরা। তবে অজিদের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয় ভারতের। এবার কি হয় সেটা দেখার অপেক্ষা।

অজিদের কাছে ওই হারের পর কঠিন সময় কাটাতে হয়েছে রোহিতকে। সবশেষ আইপিএলে তার কাছ থেকে অধিনায়কত্বও কেড়ে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তবে ছয় মাসের ব্যবধানে আরও একবার ভারতকে ফাইনালে তোলায় রোহিতের উপর খুশি সাবেক ক্রিকেটার এবং বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি।

আজ শনিবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। এই ম্যাচে ভারত হারবে না বলে বিশ্বাস ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির। আর ফাইনাল হারলে রোহিত সমুদ্রে ঝাঁপ দেবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সৌরভ গাঙ্গুলি বলেন, আমার মনে হয় না ছয় মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার ফাইনালে হারবে রোহিত শর্মা। হারলে হয়তো বার্বাডোসের সমুদ্রে ঝাঁপ দেবে। এবারও দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে সে, দলকে ভালো নেতৃত্ব দিয়েছে। ওর অধিনায়কত্বে ভারতীয় দলের উন্নতি দেখে আমার খুব ভালো লাগছে।

‘বড় প্রতিযোগিতা জিততে একটু ভাগ্যের প্রয়োজন হয়, আমি চাই সেই ভাগ্য যেন ওরা পায়। ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারত দুর্দান্ত খেলেছিল, অপরাজিত ছিল, শুধুই একটা খারাপ দিন ভারতের স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে।’

গাঙ্গুলির যে সময়ে বিসিসিআইয়ের সভাপতি ছিলেন, সে সময় তিন ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব পান রোহিত। বিরাট কোহলির উত্তরসূরি হিসেবে তাকে বেছে নেন গাঙ্গুলি। এখন টানা দুটি বিশ্বকাপে দলকে অপরাজিত রেখে ফাইনালে তুলেছেন রোহিত। তার সাফল্য দেখে খুশি সৌরভ।

রোহিতকে নিয়ে ভারতের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার বলেন, আমি রোহিত শর্মার জন্য খুব খুশি। জীবনের চাকা ঘুরতে সময় লাগে না। মাত্র ৬ মাস আগে পর্যন্ত এই রোহিত শর্মা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়কত্ব পর্যন্ত পায়নি, সেই রোহিতই এখন ভারতকে নেতৃত্ব দিয়ে একটিও ম্যাচ না হেরে দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছে।

তিনি আরও বলেন, দুটি আইসিসি প্রতিযোগিতার ফাইনালে অপরাজিতভাবে দলকে তোলা সহজ কাজ নয়। বিরাট যখন অধিনায়কত্ব ছেড়েছিল, আমি তখন বোর্ড সভাপতি ছিলাম। রোহিত অধিনায়কত্ব নিতে চায়নি প্রথমে। অনেক বুঝিয়ে রাজি করানো হয়েছিল তাকে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, এনডিটিভি


মন্তব্য