টি-টোয়েন্টিতে নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার পান্ডিয়া

পান্ডিয়া
  © সংগৃৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার মতো বোলিং করেছিলেন তিনি। এমন পারফরম্যান্সের পর আইসিসির অলরাউন্ডারদের তালিকায় উন্নতি হয়েছে হার্দিকের। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার সঙ্গে যৌথভাবে উঠে এসেছেন সবার উপরে।

বুধবার (৩ জুলাই) আইসিসির সর্বশেষ হালনাগাদকৃত র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে উঠেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তার বর্তমান রেটিং পয়েন্ট ২২২।পান্ডিয়ার পর আছেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙা। তার পয়েন্টও পান্ডিয়ার সমান ২২২, তবে সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচেনায় এক নম্বরে ভারতীয় তারকা। তিন ও চারে যথাক্রমে আছেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা মার্কাস স্টয়নিস এবং জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটার সিকান্দার রাজা। এক ধাপ এগিয়েছে সাকিব আল হাসান। ছয় থেকে পাঁচে উঠে এলেন তিনি। সাকিবের রেটিং পয়েন্ট ২০৬।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যাটার হেনরিখ ক্লাসেন ও ডেভিড মিলারের উইকেট।  ম্যাচের শেষ ওভারে ১৬ রান ডিফেন্ড করে দলের জয়ও নিশ্চিত করেন হার্দিক। ব্যাট হাতেও বিশ্বকাপের ভালো ফর্মে ছিলেন তিনি। যার সুবাদে তিনি দুই ধাপ এগিয়েছেন। অর্থাৎ এখন তিনি টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার। ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম এই ক্যাটাগরির শীর্ষে উঠলেন।

টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং ও বোলিংয়ে শীর্ষে কোনো পরিবর্তন নেই। অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড ও ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ ধরে রেখেছেন ১ নম্বর জায়গাটা। বোলিংয়ে বড় লাফ দিয়ে দুইয়ে উঠে এসেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার আনরিখ নরকিয়া। বিশ্বকাপে ১৫ উইকেট নেয়া ফাস্ট বোলার সাত ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে। ২ ধাপ পিছিয়ে চারে নেমে গেছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। অস্ট্রেলিয়ার জশ হ্যাজেলউড (৫) ও আকিল হোসেন (৬) এক ধাপ করে এবং অ্যাডাম জাম্পা (৮) পিছিয়েছেন দুই ধাপ। এছাড়া ভারতের আক্সার প্যাটেল (৭) এক ধাপ ও কুলদীপ যাদব (৯) ৩ ধাপ এগিয়েছেন। তবে বিশ্বকাপে আলো ছড়ানো আফগান পেসার ফজলহক ফারুকি ৩ ধাপ পিছিয়ে দশে নেমে গেছেন।

শীর্ষ দশের বাইরে বড় লাফ দিয়েছেন ভারতের পেসার জসপ্রীত বুমরাহ। ১২ ধাপ এগিয়ে ১২তম স্থানে উঠেছেন ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হওয়া এই পেসার। আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি আর্শদীপ সিং ৪ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ১৩তম স্থানে। দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার তাবরেজ শামসি ৫ ধাপ এগিয়ে ১৫তম স্থানে উঠেছেন। বোলারদের মধ্যে হার্দিক পান্ডিয়া এগিয়েছেন ৬ ধাপ। তার অবস্থান ৫২তম স্থানে।

সুপার এইট থেকে বিদায় নেয়া বাংলাদেশের জন্য দুঃসংবাদ বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়েও। এক ধাপ পিছিয়েছেন বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। ১৯তম স্থানে আছেন তিনি। এছাড়া দুই ধাপ করে পিছিয়েছেন তাসকিন আহমেদ (২৬) ও রিশাদ হোসেন (২৭)। দুই ধাপ পিছিয়েছেন আরেক স্পিনার শেখ মাহেদীও (৩৬)।  

ব্যাটারদের শীর্ষ দশে তিনটি পরিবর্তন এসেছে। এক ধাপ করে এগিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্র্যান্ডন কিং (৮) ও জনসন চার্লস (৯)। তবে দুই ধাপ পিছিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মার্করাম (১০)। তবে তার সতীর্থ ক্লাসেন ১৩ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ৫৪তম স্থানে। বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থান তাওহিদ হৃদয়ের। এক ধাপ এগিয়ে ২৭তম স্থানে উঠেছেন তিনি। এছাড়া এক ধাপ এগিয়ে ৮০তম স্থানে উঠেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

চ্যাম্পিয়ন ভারতের ব্যাটারদের মধ্যে ফাইনালের নায়ক ভিরাট কোহলি ৭ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ৪০তম স্থানে। আর আসরের অন্যতম সেরা ব্যাটার রোহিত শর্মা ২ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ৩৬তম স্থানে। এছাড়া ২ ধাপ এগিয়ে ৬২তম স্থানে উঠেছেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং ৩ ধাপ এগিয়ে ৬৯তম স্থানে শিভম দুবে। তবে ৪ ধাপ পিছিয়েছেন রিশাভ পান্ত (৯৬)।


মন্তব্য