ব্রাজিলে খুব কাছ থেকে পুলিশের গুলি; গোলরক্ষক আহত

ব্রাজিল
  © সংগৃহীত

ফুটবলে মাঝে মাঝেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে থাকে। তবে সেটা বেশিরভাগ সময়ই সমর্থকদের সমর্থকদের মাঝে হয়ে থাকে, অথবা খেলোয়াড়-সমর্থকদের মাঝে। তবে এবার ঘটলো ভিন্ন ঘটনা। ব্রাজিলের দ্বিতীয় বিভাগের প্রতিযোগিতা গোইয়ানো চ্যাম্পিয়নশিপের একটি ম্যাচ শেষে ঘটেছে অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনা। পুলিশের সঙ্গে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে ফুটবলারকে খুব কাছ থেকে গুলির ঘটনা ঘটেছে। পরে গুলিবিদ্ধ গোলরক্ষক র‍্যামন সুজাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে সেন্ট্রো ওয়েস্তের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছে সুজার দল গ্রেমিও অ্যানাপলিস । গতকাল (বুধবার) এই তথ্য জানিয়ে খবর প্রকাশ করেছে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’। এছাড়া আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য সান।

ম্যাচ শেষে মুখোমুখি বাদানুবাদ ও হাতাহাতিতে জড়ান গ্রেমিও এবং সেন্ট্রোর ফুটবলাররা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় পুলিশ উভয়পক্ষকে বোঝানোর চেষ্টা চালায়। তারই এক ফাঁকে গ্রেমিও’র এক ফুটবলারকে ধাক্কা দিয়ে বসেন প্রতিপক্ষের একজন, পরে গোলরক্ষক সুজাও চড়াও হতে গেলে রাবার বুলেটে নিক্ষেপ করে পুলিশ।

জানা গেছে, পুলিশ অফিসার খুব কাছ থেকে গুলি তাক করে শট নেন সুজার পায়ে। ওই সময় র‌্যামন সুজাকে তাৎক্ষণিকভাবে মাঠেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেন গ্রেমিও টিম চিকিৎসক দিয়েগো বেন্তো। তাকে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মোবাইল আইসিইউতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে জোনাস দুয়ার্তে স্টেডিয়ামের এ ঘটনা নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে গ্রেমিও ক্লাব কর্তৃপক্ষ, গোইয়া রাজ্যের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও প্রাদেশিক পুলিশ।

মন্ত্রণালয় থেকে বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, প্রশাসনিক সব বিধি অনুসরণ করে কঠোরভাবে এই ঘটনার তদন্ত করা হবে। এ কাজে পুলিশ যথাযথ আইন মেনে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং একইসঙ্গে যাতে কেউ এমন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করতে পারে, এমন আদেশও দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের দ্বারা সংঘটিত এই ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ উল্লেখ করে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানিয়েছে, মিলিটারি পুলিশের এই ধরনের আচরণ নিরাপত্তা নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং তাদের পক্ষ থেকে যে কাউকে শারিরীকভাবে সুরক্ষা দেওয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে।

অন্যদিকে, গুলি চালানো পুলিশকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে গ্রেমিও ক্লাব কর্তৃপক্ষ।


মন্তব্য