গাজায় ৭ লাখের বেশি শিশু ঘরছাড়া: ইউনিসেফ

গাজা
গাজায় ৭ লাখের বেশি শিশু ঘরছাড়া  © সংগৃৃহীত

চলমান ইসরায়েলের হামলায় গাজার সাত লাখের বেশি শিশু ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল-ইউনিসেফ এই তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি যুদ্ধবিরতিরও আহ্বান জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটার) দেওয়া ইউনিসেফের পোস্টে বলা হয়েছে, ‘গাজায় সাত লাখের বেশি শিশু ঘরছাড়া হয়েছে। তারা সবকিছু ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।’

ইউনিসেফ দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এ অঞ্চলে মানবিক সহায়তার চাহিদা বেড়ে গেছে। তাদের টেকসই ও নির্বিঘ্ন সহায়তার জন্য দরকার যুদ্ধরিবরতির। সেই সঙ্গে যেসব শিশুকে জিম্মি করা হয়েছে, তাদের নিরাপদে মুক্তি দাবি করেছে ইউনিসেফ।

আরও পড়ুন:- ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গাজার সব হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যেতে পারে: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা ও জ্বালানিসংকটের কারণে ফিলিস্তিনের গাজার উত্তরাঞ্চলের সব হাসপাতাল বন্ধ হয়ে গেছে। জ্বালানিসংকটে জেনারেটর বন্ধ থাকায় সেখানকার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল শিফায় ৩৪ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে সাত নবজাতকও রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এই হামলায় ২৪০ জনকে জিম্মি হিসেবে গাজায় ধরে নিয়ে যায়। এর পরপরই হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরায়েল। যদিও যুদ্ধ ঘোষণা হামাসের বিরুদ্ধে, কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনী টার্গেট করছে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ওপর। তাদের বাড়িঘর গুড়িয়ে দিচ্ছে। এমনকি হাসপাতাল, মসজিদ, গির্জ ও শরণার্থী শিবিরেও হামলা শুরু করেছে।

তাদের বর্বর হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। এদের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার জনই শিশু, নারী প্রায় ৩ হাজার। এছাড়া ইসরায়েলি নৃশংসতায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ।

গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতা দেখে বিষ্মিত পুরো বিশ্ব। তাদের এই বর্বরতা বন্ধের আহ্বান জানানো হলেও ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারছে না পুরো বিশ্ব।


মন্তব্য