নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আবেদন

আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রে বিল পাস

নেতানিয়াহু
  © উইকিপিডিয়া

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অধিকৃত গাজায় নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। তাদের বর্বর হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩৬ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ১০ হাজারের অধিক নারী এবং ১৭ হাজারের অধিক শিশু রয়েছেন। এছাড়া ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে পুরো গাজা উপত্যকা। এসব ধ্বংসস্তুপের নিচে ১৫ হাজারের অধিক ফিলিস্তিনির মরদেহ পচছে বলে জানায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইসরায়েলের এই গণহত্যায়র বিরুদ্ধে আইসিসিতে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও যুদ্ধমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। 

তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে একটি প্রতীকী বিলে মঙ্গলবার ভোট দিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যরা।

মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ। গতকাল এ–সংক্রান্ত একটি বিলে প্রতিনিধি পরিষদের প্রায় সব রিপাবলিকান সদস্য ভোট দেন। ডেমোক্র্যাটদের এক–পঞ্চমাংশ সদস্যও বিলের পক্ষে ভোট দেন।

ওই বিলে ওই গ্রেফতারি পরোয়ানা সংক্রান্ত ইস্যুতে জড়িত আইসিসি কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া, তাদের ভিসা বাতিল করা এবং যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সম্পদ হস্তান্তরে বিধিনিষেধ আরোপের কথা বলা হয়েছে।

এই বিলকে একটি ‘বার্তা’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যদিও খুব সম্ভবত ডেমোক্র্যাট–নিয়ন্ত্রিত সিনেটে বিলটি অনুমোদিত হবে না। তবে যদি সেখানেও অনুমোদন পেয়ে যায়, তবে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাতে ভেটো দিতে পারেন। কেননা, বাইডেন আগেই বলেছেন, তিনি দৃঢ়ভাবে ওই বিলের বিরোধিতা করেন।

গত ২০ মে আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান ইসরায়েল ও হামাসের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।

করিম খান ইসরায়েলি দুই নেতা ছাড়াও হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার, মোহাম্মদ দেইফ ও ইসমাইল হানিয়ার বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন। 

সূত্র: রয়টার্স


মন্তব্য