মেট্রোরেলের ওপর দিয়ে যাওয়া ইন্টারনেট ও ডিসের তার সরানোর নির্দেশ

মেট্রোরেল
  © ফাইল ছবি

গত বছরের শেষের দিকে চালু হওয়া মেট্রোরেল যাতায়াতের জন্য রাজধানীবাসীর জন্য একটা স্বস্তির নাম। তবে চালু হওয়ার পর থেকে ঢিল ছোড়াসহ মেট্রোরেলে ঘুড়ি আটকে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনা ঘটেছে। এবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) এমআরটি লাইন ৬ এর ওপর দিয়ে যাওয়া ইন্টারনেট ও ডিসের তার অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব তার অপসারণে চিঠি দিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। অন্যথায় ডিএমটিসিএল আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানানো হয়েছে।

ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৬) প্রকল্প পরিচালক মো. আফতাবউদ্দিন তালুকদারের সই করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) এমআরটি লাইন ৬ এর ওপর দিয়ে ৫১টি ভবনে টানা হয়েছে ইন্টারনেট ও ডিসের তার। মেট্রোরেলের রুটের অ্যালাইনমেন্টের ভায়াডাক্ট ও ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের ওপর দিয়ে অতিক্রম করা হয়েছে বিভিন্ন ভবনের এসব ক্যাবল টিভি লাইন (ডিস লাইন) ও ইন্টারনেটের তার।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এবং সম্পাদক বরাবর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ডিএমটিসিএলের আওতায় পরিচালিত এমআরটি লাইন ৬ এখন শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৭.১০ মিনিট থেকে রাত ১০.১৪ মিনিট পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে চলাচল করছে। ঢাকা মহানগরীর জনসাধারণ নিরাপদে, স্বাচ্ছন্দ্যে ও স্বল্প সময়ে মেট্রোরেলে যাতায়াতের সুফল ভোগ করছেন। এখন প্রতিদিন গড়ে ২ লাখ ৯০ হাজার যাত্রী মেট্রো ট্রেনে যাতায়াত করছেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই রুটের অ্যালাইনমেন্টের ভায়াডাক্ট ও ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের ওপর দিয়ে বিভিন্ন ভবনে ক্যাবল টিভি লাইন (ডিস লাইন), ইন্টারনেটের ক্যাবল লাইন ইত্যাদির সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। প্রাথমিক সার্ভেতে দেখা গিয়েছে, প্রায় ৫১টি ভবনে বর্তমানে এই ধরনের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে যে কোনো মুহূর্তে ক্যাবেল ছিঁড়ে গিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেট্রোরেলের ভায়াডাক্ট ও ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের ওপরে পড়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। চলমান বর্ষা মৌসুমে এই ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেশি।

ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এ. বি. এম. সাইফুল হোসেন এবং সম্পাদক মো. ইমদাদুল হককে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।


মন্তব্য