ভারত থেকে আনা হলো ১১ বুলেটপ্রুফ সামরিক যান

ভারত
  © ইনডিপেনডেন্ট

বাংলাদেশকে সামরিক শক্তিকে আরও শক্তিশালী করতে সেনাবাহিনীর জন্য ভারত থেকে ১১টি মাইন প্রোটেকটেড সামরিক যান আমদানি করা হয়েছে। যার আমদানি মূল্য ৪৬ কোটি টাকা।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে এসব সামরিক যানগুলো বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। আজ বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলের দিকে সামরিক যানগুলো বেনাপোল বন্দর থেকে খালাস করা হয়। 

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টর জেনারেল ডিফেন্স পারসেজ এসব সামরিক যান আমদানি করে। রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের টাটা অ্যানভানসড সিস্টেমস লিমিটেড। চালানে সামরিক যানগুলোর আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে ৩৮ লাখ ৫ হাজার ৩৯ ইউএস ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।

জানা যায়, এ যানবাহনগুলো সেনাবাহিনীর সামরিক শক্তি বাড়ানোর জন্য আনা হয়েছে যা সম্পূর্ণ বুলেটপ্রুফ। এই প্রথম বেনাপোল বন্দর হয়ে এ ধরনের সামরিক যান বাংলাদেশে আমদানি করা হলো।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সামরিক সরঞ্জামের তালিকার তথ্যমতে, দেশে এর আগে মোট ২০৫টি মাইন রেজিস্ট্যান্ট অ্যামবুশ প্রোটেকটেড যান ক্রয় করা হয়েছিল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সরঞ্জামের তালিকায় দেখা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ৪৪ ও কানাডা থেকে ৪৪টি মাইন রেজিস্ট্যান্ট অ্যামবুশ প্রোটেকটেড যান কেনা হয়। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্স-২০২৪ অনুযায়ী, সামরিক শক্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৭তম।

ঢাকার এমআর লজিস্ট্রিক নামের একটি সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান সামরিক যানগুলো বেনাপোল কাস্টমস ও বন্দর থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল ৪টার দিকে খালাস করে। ওই প্রতিষ্ঠানের বেনাপোল অফিসের প্রতিনিধি বাবু বলেন, ‘সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত এই ১১টি সামরিক যান খালাস করে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা ঢাকা সেনানিবাসে নিয়ে যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছে।’

বেনাপোল বন্দর পরিচালক রেজাউল করিম জানান, আমদানি করা এসব সামরিক যানগুলো বন্দরের হেফাজতে রাখা ছিল। কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ বিকেলে খালাস করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দ্রুত খালাসে বন্দরের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে।


মন্তব্য