এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি কমবে: এডিবি

রপ্তানি
  © ফাইল ছবি

২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে বাংলাদেশ। আর এই কাতার থেকে বেরিয়ে গেলে বাংলাদেশের রপ্তানি কমতে পারে বলে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সংস্থাটির অ্যাক্সপ্যান্ডিং অ্যান্ড ডাইভারসিফাইং এক্সপোর্টস ইন বাংলাদেশ- চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড দ্য ওয়ে ফরোয়ার্ড প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

সংস্থাটি বলছে, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। তারা বলছে, স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে বেরিয়ে গেলে রপ্তানি পণ্যে যে শুল্ক আরোপিত হবে, তার জেরে রপ্তানি কমার আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাবে বাংলাদেশ। এলডিসি থেকে বের হলে সবচেয়ে সমস্যায় পড়তে হবে রপ্তানি খাতকে। 

দেশের রপ্তানি খাতের বৈচিত্র্য নিয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়, এলডিসি উত্তরণের পর বেড়ে যেতে পারে রপ্তানি পণ্যে শুল্কের হার। শুল্ক আরোপিত হলে, রপ্তানি সাড়ে ৫ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলডিসি উত্তরণের পর কানাডায় পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত; ভারতে ৮ দশমিক ৬; জাপানে ৮ দশমিক ৭ ও চীনে রপ্তানির ক্ষেত্রে ৭ শতাংশ শুল্ক আরোপিত হতে পারে। এ ছাড়া আমদানিতে ভারতের অগ্রাধিকার তালিকায় নেই, এমন অনেক পণ্য আবারও নেতিবাচক তালিকায় ঢুকে যেতে পারে।

এই বাস্তবতায় দেশের রপ্তানির সক্ষমতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই বলেই মনে করে সংস্থাটি। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিএসপি প্লাস সুবিধা না পেলেও বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে ‘ডেভেলপিং কান্ট্রিস ট্রেডিং স্কিম এনহান্সড প্রেফারেন্সেস’– এর আলোকে বাজার-সুবিধা পাবে। এতে অধিকাংশ পণ্যই শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে পণ্যের উৎসবিধি আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে। এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর ক্ষেত্রে উৎসবিধি অতটা কঠোর না হলেও এ ক্ষেত্রে কঠোরভাবেই তা করা হবে।


মন্তব্য